Author: Muktiforum

মুক্তিফোরাম একটি মুক্তিবাদী, বহুত্ববাদী এবং জনপন্থী সমাজ নির্মাণের লক্ষ্যে গড়ে ওঠা সংগঠিত গণমঞ্চ। এর লক্ষ্য হলো নতুন ধরণের সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক চর্চা নির্মাণ। নোংরা হিসেবে রাজনীতির যে রূপকল্প এদেশের মানুষের কাছে নির্মাণ করা হয়েছে, সেটিকে চ্যালেঞ্জ করতে চায় মুক্তিফোরাম। আবার যেসব একক আদর্শ (যেমন বামপন্থা-ডানপন্থা) বা পরিচয়ের রাজনীতি (সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ, জাতিবাদ) দিয়ে জনগণের সংহতি ও বৈচিত্র্য হুমকির মুখে ফেলা হয়েছে তার একটি এন্টিডোট হয়ে ওঠাও মুক্তিফোরামের প্রকল্প।

কথায় কথায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি বন্ধ করুন, মুক্তিযুদ্ধকে আপনারা হাসিঠাট্টার পর্যায়ে টেনে নিয়ে এসেছেন। ভারত ও ভারতের জনগণের জন্য বাংলাদেশের মানুষের কোন অশ্রদ্ধা বা বিরোধ নেই, মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান স্বিকারে কোন কৃপণতা ও অস্বস্তি নেই। তবে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তে যেভাবে বাংলাদেশের নাগরিকেদের অকারনে হত্যা করছে ভারতের বিএসএফ, তাতে দিন দিন এদেশের মানুষ ক্ষুব্ধ। আর মোদি একজন সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদী। তাই সারা দেশের মানুষের একটাই ভাবনা একজন দাঙ্গাবাজ সাম্প্রদায়িক নেতা কি করে ১৯৭১ এ অসাম্প্রদায়িকতার শপথে জন্ম নেয়া বাংলাদেশের কোন রাষ্ট্রিয় অনুষ্ঠানে আসে?

১ মার্চ ২০২০, রবিবার, দিল্লির যন্তর মন্তরের সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের উদ্দেশ্যে অরুন্ধতী রায় এই ভাষণটি দেন। পরদিন ভারতীয় পত্রিকা স্ক্রল.ইন-এ প্রবন্ধাকারে প্রকাশিত হয়। সেখান থেকে বাংলাভাষী পাঠকদের জন্য অনুবাদ করা হলো

রাইড শেয়ারের মাধ্যমে যোগাযোগের পথকে সহজতর করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে বাজারে নামা জনপ্রিয় কোম্পানিটির নাম উবার। কোম্পানিটি প্রথম দিকে যাত্রী সেবার কঠোর প্রতিশ্রুতি নিয়ে বাজারে আসলে ঢাকাবাসির…

প্রথম আলোতে আসছে, বাংলাদেশের ২৫% মেয়েরা স্বামীর হাতে মার খায়। পরিসংখ্যান ব্যুরো অনুযায়ী সংখ্যাটি নাকি ৪৩% হবে। কিন্তু এই মাইর খাওয়ার প্রতিবাদ করতে যে পুরুষতান্ত্রিক খচ্চর প্রকৃতির আইন প্রশাসনের পুলসিরাত মেয়েদের পার হইতে হয়, সেই কথা হাজার বার বললেও কি শেষ হবে?

তারিখটা ৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল, স্থান আখাউড়া। আখাউড়ার উপর ভারতের ১৪ নম্বর গার্ড ব্রিগেড আক্রমণ করেছিলো ৪ তারিখ ভোরে। তারা গঙ্গাসাগরের কাছে শত্রুর মুখোমুখি হন। বাঁ…

০২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সাত বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করার পরে খুন প্রথম আলো।১০ ফেব্রুরায়ি ২০২০ কদমতলী গণধর্ষনের ধর্ষনের ঘটনায় তিন দিনের রিমান্ডে ঢাকা ট্রিবিউন। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০…

সেই জন্য আমরা দেখেছি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর পরই সে আমাদের অন্যতম নয় নাম্বার সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিলকে ভারতের সেনাবাহিনী আটক করেছিলেন৷ বাংলাদেশের সমগ্র দক্ষিণ অঞ্চলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে হরতাল পালন করেছিলাম আমরা। সুতরাং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠার সংগে সংগে বাংলাদেশের যেই স্বাধীনতাকামী জনগণ, তার স্বাধীনতার যেই স্পৃহা, সেই স্পৃহাকে ভারতের শাসক শ্রেণী এবং রাষ্ট্র সেদিন যে বুঝতে পারিনি তা নয়।

আমাদের সরকার ব্যবস্থাটাই এমন যে ক্ষমতাশীল দল চাইলে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে। কোনো জবাবদিহিতা নেই বললেই চলে। এইরকম এক শ্বাসন ব্যবস্থা যে কোনো দেশকে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেয়। ইতিহাসে আপনি এর অনেক নজির খুঁজে পাবেন এবং এর সব চেয়ে বড় উদাহরন হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট।

ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামের, স্বাধিকারের লড়াইয়ের আর মুক্তিযুদ্ধের লড়াইয়ে শামিল এই চিরযোদ্ধাকে, জাতীয় বীরকে, কোনদিন রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়নাই