মুক্তিফোরাম একটি মুক্তিবাদী, বহুত্ববাদী এবং জনপন্থী সমাজ নির্মাণের লক্ষ্যে গড়ে ওঠা সংগঠিত গণমঞ্চ। এর লক্ষ্য হলো নতুন ধরণের সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক চর্চা নির্মাণ। নোংরা হিসেবে রাজনীতির যে রূপকল্প এদেশের মানুষের কাছে নির্মাণ করা হয়েছে, সেটিকে চ্যালেঞ্জ করতে চায় মুক্তিফোরাম। আবার যেসব একক আদর্শ (যেমন বামপন্থা-ডানপন্থা) বা পরিচয়ের রাজনীতি (সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ, জাতিবাদ) দিয়ে জনগণের সংহতি ও বৈচিত্র্য হুমকির মুখে ফেলা হয়েছে তার একটি এন্টিডোট হয়ে ওঠাও মুক্তিফোরামের প্রকল্প।
‘ইতিহাস সাক্ষী, কোন দেশের জনসাধারণ কোন কালেই ভুল করেনি। যারা বলেন যে, নিরক্ষরতা বা অজ্ঞতার জন্য জনসাধারণ ভুল করতে পারে, সুতরাং জনসাধারণের উপর পূর্ণ আস্থা রাখা…
আমি কাশ্মীরের সেই মেয়েটিকে চিনি না যাকে গণধর্ষণ করে জলায় ফেলে রাখা হয়েছিলো। চিনলেও অবশ্য আমি তাঁর ভাষা বুঝতাম না। বাবেলের জিগুরাত বেয়ে ঈশ্বরের নিকটবর্তী হতে…
শতেক বছর যুদ্ধ শেষে বৃটিশ গেলো ফেরত ঘররাইখা গেলো পোষমানানো খয়েরী সাহেব দেশের পরযে রাজাতেই মুকুট পরুক-দেশের মালিক বুরোক্রেটদেশের মানুষ না খাক, মরুক-উচ্চ সদা তাদের পেটযতই…
সারাদেশ জুড়ে চলছে একটি নির্বোধ সরকারের নারকীয়তা। খুব সহজ কিছু সংস্কার ও পরিবর্তনের দাবিতে যে সাধারণ ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছিলো, তাদের দাবি ঠান্ডা মাথায় শোনার বদলে তাদেরকে…